Posts

Showing posts from February, 2021

কবিতা : সেই স্মৃতি মনে পড়ে

Image
  " সেই স্মৃতি মনে পড়ে " """""""""""***"""""""""" মোঃ মোসলেম হাওলাদার  28-02-2021 ইতালি। বন্ধু আমার ছিল একজন সংসারের কর্ণধার, ভাই বোনদের দেখাশুনা দায়িত্ব ছিল তার। সংসারের বড় ছেলে  অনেক কষ্ট করে, ছোটদের লেখা পড়ার দায়িত্ব তাহার কাঁধে পরে। তাহার মনের আশা যতো গুমড়ে গুমড়ে মরে, আষ্ট আনার পুঁটি কিনে খায় ভাগ করে। ছেলে,ভাই উচ্চশিক্ষিত বিদেশি ডিগ্রি আনে, ভাইবোনেরা সবাই তাকে শ্রদ্ধার চোখে মানে। আমি ছিলাম তাহার বন্ধু সবই দেখছি ভাই, কলেজ জীবনে তার দোকানে মাঝেমধ্যে খাই। তার জীবন সার্থক হয়েছে সবাই এখন ভালো। সারা জীবন দোকানে গেল কমছে চোখের আলো। সারা দুনিয়ার ছোট ভাইকে অনুরুদ করে বলি, বড় ভাইকে সম্মান দিয়ে আমরা সবাই চলি। দুই বন্ধু মিলে টঙ্গে পায়েস রেঁধে খাই, সেই স্মৃতি পড়লে মনে দুঃখে মরে যাই।

কবিতার নাম : আমি তোমাকে দেখেছি

Image
কবিতার নাম-আমি তোমাকে দেখেছি  কবির নাম- আশীষ খীসা  তারিখ -২৮।০২।২০২১ আমি তোমাকে দেখেছি          শরৎকালের শুভ্র নীল আকাশে, মেঘ হয়ে ভেসে যাচ্ছো         দূর নীলিমায় বহু দূরে।  আমি তোমাকে দেখেছি          পার্বত্য অঞ্চলের কাচালং উপত্যকায়, সেগুন গাছের শুকনো পাতায়           মর্মর শব্দ ও ছন্দের সুরে। আমি তোমাকে দেখেছি           কাপ্তাই হ্রদের স্বচ্ছ জলে, অসংখ্য পদ্ম ও শাপলা ফুল           হয়ে আনন্দে দোদুল্যমান ভাসতে। আমি তোমাকে দেখেছি          তারা হয়ে চাঁদনী রাতে, নীরব কৃষ্ণচূড়া গাছের কাছে          চুপি চুপি কথা বলতে। আমি তোমাকে দেখেছি           দূর্গম নিস্তব্ধ গিরি পথে, দুরন্ত মায়াবতী হরিণের মতো          প্রবাহিত চঞ্চল ঝর্ণার সাজে। আমি তোমাকে দেখেছি           অস্তমিত সূর্যের ম্লান আলোতে,...

কবিতা : প্রসাদি ফুল

Image
 🌳🌳🍒 কবিতা —প্রসাদি ফুল  কলমে —সুশান্ত পাড়ুই   রচনা কাল —১৯/০২/২০২১  ----------------------------//------------------------------- সরস্বতী দুঃখ অতি আমার পাড়ায় এসো ঘৃণার থুতু মুছিয়ে দিয়ে সবায় ভালোবেসো। আঁধার ঘুচে এই জমিতেই ভরুক ফুলে ফলে হাতেখড়ি হোক্ মা সবার ধোঁয়া উড়ুক কলে। দুষ্ট এখন শিষ্ট সাধু মাথায় ফেলো বাজ সবার পেটে ভাত জুটুক আর সবার হাতে কাজ। মনের মধ্যে জ্বালাও প্রদীপ বাজাও তোমার বীণা  হাঁসের পালক দিয়ে সরাও এই বিদ্বেষ ঘৃনা। রাম-রহিমের মিটিয়ে বিবাদ গান গাও এক সুরে নিত্য গীতে ভরুক চিতে বাসন্তী রোদ্দুরে। হোক্ না লেখা নতুন করে নতুন ইতিহাস এই মাটিতেই সবাই মিলে করুক প্রেমের চাষ। সরস্বতী দুঃখ অতি আমার পাড়ায় এসো প্রসাদি ফুল বিলিয়ে দিয়ে মাটির সাথে মেশো। ---------------------------//-----------------------------                 🙏🏻সুশান্ত পাড়ুই 🙏🏻

কবিতা : পরাশ্রয়ী

Image
                কবিতা :   "পরাশ্রয়ী"                 কবি : -- অরবিন্দ সরকার                           বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ কবিতা, বনিতা,লতা  বিনাশ্রয়ম্ ন তিষ্ঠন্তি!  বনিতা শিশু কালে, মায়ের কোলে, যুবতী রূপে পতির সান্নিধ্যে,বৃদ্ধাবস্হায় পুত্রের। লতার আশ্রয় ডালপালা, তেমনি কবিতা তার আশ্রয়,কল্পনায়,স্বপ্নমিশ্রিত বাস্তবে! তষ্করের আশ্রয় গৃহস্থ, রাজার আশ্রয় প্রজা! শিষ্য বিনা গুরু, পরীক্ষা বিনা ছাত্র-,রোগী ছাড়া ডাক্তার, আসামী বিনা মোক্তার। লড়াই ছাড়া স্বাধীনতা, ভিক্ষা ছাড়া জীবিকা! সৃষ্টি বিনা ধ্বংস! জল ছাড়া জীবন, বাহু বিনা আলিঙ্গন। সুদ বিনা টাকা, শুন্য ছাড়া ফাঁকা। শুরু দিয়ে সমাপ্তি! বলি পেয়ে শহীদ, নালিসের সমাধা বিচার- অত্যাচার,অনাচারে ঘুস পতি পত্নী যুগ'ল, স্হান,কাল,পাত্র - ভূগোল! নাটক নট- নটী , খাদানের দানে দলনেতা। মুখ আছে তাই লাগাম, মন্ত্রীর প্রবেশ আছে! আছে প্রস্থান! অত্যাচারের সীমা থাকে-- কালের যবনিকাপাত।।

প্রবন্ধ : " প্রাগৈতিহাসিক ধর্ম "

Image
          প্রবন্ধ (গবেষণা) :  " প্রাগৈতিহাসিক ধর্ম"                        অর্ঘ মুখার্জি ( কোন্নগর )   প্রাগৈতিহাসিক ধর্ম বলতে প্রাগৈতিহাসিক মানব সমাজের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ধর্মাচরণকে বোঝায়। বিশেষত প্রাচীন প্রস্তরযুগীয় ধর্ম, মধ্য প্রস্তরযুগীয় ধর্ম, নব্য প্রস্তরযুগীয় ধর্ম ও ব্রোঞ্জ যুগীয় ধর্মকে প্রাগৈতিহাসিক ধর্ম বলা হয়।         •প্রাচীন প্রস্তর যুগের ধর্ম - পারলৌকিক ক্রিয়ার সামগ্রী সহ কবর দেওয়ার প্রথাই সম্ভবত প্রথম ধর্মব্যবস্থার নিদর্শন (কবর দেওয়ার প্রথা আজকের পৃথিবীতেও সর্বাধিক পরিচিত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া)। ফিলিপ লিবারম্যানের মতে, এটি “দৈনন্দিন জীবনে মৃতের পুনর্জাগরণ” ধারণার পরিচায়ক।      অনেক পুরাতাত্ত্বিকের মতে মধ্য প্রস্তরযুগীয় সমাজে এবং নিয়ান্ডারথাল সমাজে টোটেমবাদ ও পশুপূজার কিছু প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায়। এমিল বাচলার মধ্য প্রস্তরযুগীয় গুহাগুলির পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের ভিত্তিতে বিশেষভাবে ওই সময়কার নিয়ান্ডারথাল ভাল্লুক পূজা সংস্কৃতির অস্তিত্ব...

কবিতা : স্মার্ট-মা কে

Image
  কবিতা —স্মার্ট-মা কে   কলমে —সুশান্ত পাড়ুই  রচনা কাল —১৬/০২/২০২১  ------------------------//------------------------- ও বাগদেবী দুঃখ খুব-ই বলো কেমন ধাঁধা বাবা ও মা, মাস্টারমশাই  বলছে গরু গাধা। অংক টা তো দারুণ কড়া ইতিহাসের সাল বিজ্ঞান আর বাংলা ভূগোল ইংলিশ টাও কাল। সরস্বতী স্মার্ট মা অতি দাও না মাথায় পুরে মার বকুনি আর খাবো না  বেড়াই ঘুরে ঘুরে। পড়াশোনা আর সয় না বই-খাতা মুখ গোঁজা দাও মা করে সব সাবজেক্ট   জলের মতো সোজা। তার চে' বরং দাও স্মার্টফোন দারুণ তা'লে হয়  গোবর-গনেশ আর হব না হব মা স্মার্টবয়। ----------------------------//---------------------------                    🙏🏻সুশান্ত পাড়ুই 🙏🏻

কবিতা : তোমার জন্য

Image
  আলোর ঠিকানা।  শিরোনাম -তোমার  জন্য  কলম-রীতা বসু।  *********************** অনেক  শক্ত  হয়েছ তুমি,    আরও শক্ত  হওয়া চাই - যাতে  সবাই  তোমাকে  আমরা    মনে প্রাণে ভয় পাই। তোমার  নরম রূপ  দেখে ছি  সবাই,  এবার  কঠিন  রূপ দেখবো,    মৌচাক যখন  হূল  ফোটায় তীব্রতার জ্বালা  অনুভব  করবো। অনেকে ই  নিয়ে গেছে  নানা সুযোগ,      অনেক  করেছি  অভিনয়,  এবার  তুমি  সবকিছুর  উপরে উঠে,      সবাই কে  দেখাও শুধু  ভয়। শেষ  জীবনে  জেগে  উঠেছো,   আমি  শেষ হয়ে  যাবো শীঘ্র,  থাকবেনা  আমার  এতটুকু  কষ্ট,     কোন জ্বালা  হবেনা  তীব্র।  সমাপ্ত  ******

কবিতা : আগুন ফাগুন

Image
  কবিতা    আগুন ফাগুন   কলমে     ডঃ রমলা মুখার্জী  ফাগুন মানে শুকনো পাতা ঝরা শব্দে তারি মন যে কেমন করা........  ফাগুন মানে মিষ্টি দখিন হাওয়া -  কৃষ্ণকলির উড়োচিঠিখানি পাওয়া । ফাগুন মানে মুছে যাওয়া কুয়াশা আধো স্বরে ভালোবাসার ভাষা। ফাগুন মানে শিমূল পলাশে রাঙা,  অনুরাগ-রাগে সব অভিমান ভাঙা ফাগুন মানে প্রকৃতি মানবে দোল- হৃদয়ে হোলীর রঙিন হিল্লোল....  ফাগুন মানে হাল্কা শীতের চাদর,  শরীর মনে প্রথম প্রেমের আদর। ফাগুন মানে অঙ্গে খুশির দোলা- দ্বৈত - প্রাণের একসাথে পথ চলা। ফাগুন মানে আগুন নিয়ে খেলা- শুরু থেকে শেষ ভ্যালেনটাইন বেলা। ডঃ রমলা মুখার্জী, বৈঁচী, বিবেকানন্দ পল্লী, হুগলি ৭১২১৩৪

কবিতা : অতৃপ্ত হৃদয়

Image
             কবিতা : অতৃপ্ত হৃদয়   কবি : পুলক রায়                    ( ১  ) মৌতাতে মত্ত  বঁধুবর- মোহর সাজে মৌন মৌলী জাগছে বাসরঘর । মুখোশের ভীড়ে অন্ধবিশ্বাস নির্বুদ্ধিতায় মর্মাহত মন, কাঁদছে অতৃপ্ত অন্তর কি প্রকার গড়বে ভবিষ্যৎ দাম্পত্য সুখের ঘর ?            ( ২ ) মৌতাতে মত্ত বঁধুবর- নিঃশব্দ নির্জনতার বাসর ঘর, অপ্রত্যাশিত আমি-   প্রেম স্বপ্ন আবেগ কথা বলেনি!  এই কি ভালোবাসার অপেক্ষা? স্বপ্নে ভাবিনি ।  দাবানল হতেই হবে এবার  বাঁচতে হলে লড়তে হবে এটাই অধিকার ।            ( ৩ )  মৌতাতে মত্ত বঁধুবর- সম্মান যায় যাক্ ,চাইনা এমন স্বামীর ঘর কথা দিয়ে কথা না রাখা মানুষের ভীড়ে একাকীত্ব অসীম শূন্যতায় আমি, বিশ্বাসের বাসরঘর মন করেছে ভারী কি যে করি? ফিরবো কি বাপের বাড়ী? শিক্ষা ও শান্তি আমার প্রহরী  আমি তো স্বনির্ভর নারী ।।                        ...

কবিতা : দ্বীপে দ্বীপে ডারউইন

Image
             আজ বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক চার্লস ডারউইনের জন্মদিনে আমার শ্রদ্ধার্ঘ্য 🏵🙏🏵🙏🏵🙏 কবিতা   দ্বীপে দ্বীপে ডারউইন  কলমে  ডঃ রমলা মুখার্জী পৃথিবী জুড়াতে নেমেছিল কবে অবিরাম বারিধারা... ধরার আধারে জলরাশি ঘন নেই তো প্রাণের সাড়া। প্রকৃতি কখন অলস খেয়ালে জড় অনুদের জুড়ে  সাগর-সলিলে সজীব গড়েছে রসদও দিয়েছে ভরে। ক্ষুদ্র ক্রমশ হয়েছে বৃহৎ বিবর্তনের পথে- বানরজাতির পথটি ধরেই মানুষ দুপায়ে হাঁটে। একথা তখন কেউ ভাবেনি তো ভেবেছে অলৌকিক ! প্রথম সত্য পৌঁছে দিলেন সে এক বৈজ্ঞানিক। চার্লস ডারউইন নামটি তাঁহার বিরাট প্রকৃতিবিদ- দ্বীপে দ্বীপে ঘুরে, খুঁজে খুঁজে ফেরে পশু, পাখি, নানা কীট। অমিলের মাঝে মিলটি মিলল গ্যালাপেগাস দ্বীপে- বস্তা-পচা সৃষ্টিতত্ত্বের ভিতটি গেল কেঁপে। জীবন-যুদ্ধে জয়ী হবে যারা তারাই রহিবে টিকে, "ওরিজিন অফ স্পিসিসে" সেকথা গেলেন তিনি লিখে। প্রজাতি সৃষ্টি রহস্যটির সঠিক সে সমাধান, ভুলের শেষে আলোয় ভেসে সত্যের সন্ধান। বৈঁচী, হুগলী, পিন 712134

কবিতা : মানুষ ধর

Image
  কবিতা —মানুষ ধর কলমে —সুশান্ত পাড়ুই রচনা কাল —১১ /০২/২০২১ ----------------------------//--------------------------- তুমি দেখো কত জাতি শত শত  আমি শুধু দেখি মানুষ জাতি,  মিছে করো শুধু পিছে টানাটানি  এক পৃথিবীর একটাই জ্ঞাতি। খিদে ও তেষ্টা বাঁচার চেষ্টা  কখনো পৃথক দেখো?  তবে কেন মান সমান-অসমান?   নতুন ইতিহাস লেখ। এক সাথে চলি এক কথা বলি  একের বিপদে অপরে ঝাঁপাই,  তবে কেন এই মিথ্যে দেওয়াল?  কেন যে মিথ্যে রক্তে রাঙাই? পোশাকের ফেরে পৃথক কি করে?   একই তো শরীর নাঙা,  ধর্মের ভেদে বর্ণের ফেঁদে  ভিতরে সমান রাঙা। শেষের সে দিনে সব শোধ ঋণে  মলাট শুন্য বেশে,  মোল্লা-পুরুত-মুচি-অচ্ছুত  এক ভূমে দেখো মেশে। এক ভুবনের সন্তান মোরা  এসো, এক সাথে গাই গান  একটাই জাতি মানুষের জাতি  মানুষের রাখি মান । ভগবান আর আল্লাহ' মিলে  মানুষের দেহে বেঁধেছে ঘর  জাতের জেরে মানুষ ফেরে  জাত ভুলে সব মানুষ ধর। -----------------------------//---------------------------             ...

কবিতা : ভাষা দিবস

Image

কবিতা : আমি জব্বারের স্ত্রী বলছি

Image
  কবিতা : আমি জব্বরের স্ত্রী বলছি কবি : জুঁই  (যুথিকা তরফদার) ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️ আমার নাম কেউ কি কখনো জানতো ! আমি হারিয়ে আছি একটা সময় একটা দিনের আড়ালে আমি কে জানো তোমরা ? আমি এক ভাষা শহীদের স্ত্রী লোকে বলে এ নাকি আমার গৌরব কেউ কেউ বলে অহংকার আমার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছিল সেই দিনটিতে, বাহান্নর রক্ত মাখা মাটিতে আমার স্বামীর নিস্পন্দ শরীরের ভাষাহীনতার মধ্যে সেদিন সদ্য প্রসূতি আমি আমার সন্তানের যত্ন করছিলাম উঠোনে আমার বাংলার মা কাঠ গুঁজে ভালোবাসা রাঁধছিল আর আমার বুকের মানিক কে মাখিয়ে দিচ্ছিল মাটির গান তারপর আদরের স্নানে আতর মাখিয়ে নিঙোনো উঠোনে হলুদ রোদ্দুরের ঝিকিমিকি এঁকে দিচ্ছিল আমার স্বামী প্রতিদিন যখন মাঠ থেকে ফিরত তখন সন্ধ্যা তারা তাকিয়ে থাকত তার দিকে সেদিন ও ছিল আকাশের দিকে আঙ্গুল তুলে বলতো দেখো দেখো----  চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙেছে তুমি ও গাও না               বাংলার মাটি বাংলার জল বাংলার বায়ু বাংলার ফল পুণ্য হোক পুণ্য হোক পুণ্য হোক হে ভগবান সে রাতটাই আমাদের শেষরাত ছিল নদীতে শেষরাতের ভাটিয়ালি সুর ফেরি করছিল যে মাঝি তাতেও ছ...

কবিতা : ভাষা দিবস

Image
বিভাগ -কবিতা।  শিরোনাম -ভাষা  দিবস কলম-রীতা বসু। ********************* ১৯৪৭ সালে দেশ দু’টুকরো হল,  তার পাঁচ বছরপরে,  জেগে উঠল হূ হূ  করে,  এক বিরাট আন্দোলন,  অন্য  কোন ভাষা নয়, চাই বাংলার জাগরণ।  বাংলা  হবে  মাতৃভাষা, বাংলা ই হবে  স্বপ্ন,  সরকারের  অত্যাচারদিয়ে  গেলনা তাকে  আটকানো।  ১৯৫২ সালের  ২১শে ফেব্রুয়ারী ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয়থেকে,  আন্দোলন গেল  ছড়িয়ে,  সমগ্র  বাংলাদেশের বুকে,  আবদুল বরকত, আবদুল সালাম, আবদুল রেজাক, শামিউর রহমান।  পুলিশের গুলিতে সব  হল নিহত,  কিন্তু  বন্ধ করা  গেলনা তাদের ব্রত।  নিষঠুর শাসকের তান্ডব  ও ঔদ্ধত্য  পারলোনা থামাতে তাদের  আনুগত্য,  বাংলা  যে  মা তাদের, তাই তো তারা মানে,  বাংলা কে মাতৃভাষা  বলেই তারা  জানে,  অবশেষে ইউনিসকোর  ঘোষণা য়  জিত হল  বাংলা র,  ২১শে ফেব্রুয়ারী পূজা পেল, ভাষা  দিবস হল  নাম তার।

কবিতা : হৃদয় জুড়ে আছ

Image
  শিরোনাম : হৃদয় জুড়ে আছ কবি: মনোজ কুমার রায়  ___________________________________ তুমি হৃদয় জুড়ে বেঁচে আছ আমার সুখের নীড়ে,কেউ যদি তোমায় না ছেড়ে, তুমি ছড়িয়ে দাও মোর ভালবাসার প্রতিধ্বনি বিশ্বজুড়ে। আমি তো বসে আছি বাঁধন খুলে, তোমার মুক্ত ছায়ার তরুতলে হৃদয় জুড়ে হেলে দুলে, কোন কাননে ফুল ফুটালে দেখতে যাব রাই জাগো? তোমার গড়া জীবন ছড়া শুনি ঐ বৃষ্টি ভেজা রাতে,শুনে শুনে মন ভরে যায় কেউ মোরে ডেকে প্রাতে?আশার ফুল ফুটবে এবার থাক আমার সাথে। তোমার নিক্কন ধ্বনি শুনে ঐ ভোরের আকাশ গুনে, প্রাণ ফিরে পায় নাচের তালে উদাস মনে পাগল হলে তাই তো হৃদয় জুড়ে আছ তুমি  প্রতিক্ষণে। রচনা মনোজ কুমার রায়  কাল ১০/০২/২১

কবিতা : বৃদ্ধ

Image
  🗻কবিতা : বৃদ্ধ🗻   🌳 কবি : শ্রী অভিষেক অধিকারী 🌳    পর্দার আড়ালে থাকা রণক্লান্ত বৃদ্ধ,    যুবকের ভগনোদ্যম এর স্বাক্ষর রাখা     সদ্য প্রকাশিত সংবাদ পত্র,       নিউজ পেপারের টুকরো টুকরো খবর আর     ওয়েব ম্যাগাজিনের বিতৃষ্ণ, নীলাভ সংবাদ নৃত্য।        কোন দুর্লভ গোলাপের অনুসন্ধান করে চলে     এরা সবাই।    রণক্লান্ত বৃদ্ধের মরচে ধরা তলোয়ারের খবর    প্রকাশিত হয়না কোন নিউজ সাইটে।       তবে হতাশাচ্ছন্ন যুবকের অস্তিত্বের জানান     দেওয়া কাটা কাটা ছোট সংবাদ গুলো প্রকাশে    বিব্রত হয়না কোন নিউজ এজেন্সী।    বৃদ্ধের কোন বিজ্ঞপ্তির প্রয়োজন নেই।    হলদে গোলাপটা ডাস্টবিনে পরে থাকলেও     তার কিছু যায় আসে না।   নীলাভ গোলাপ ক্রমশ দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাচ্ছে,   এবার সেটা শোভা পাবে,   কোন রাষ্ট্রনায়কের ড্রয়িংরুমে।   রণক্লান্ত বৃদ্ধ এবারেও স্থান পাবে না,   ছোট ছোট নিউজ পোর্...

কবিতা : আমি জব্বারের স্ত্রী

Image
কবিতা : আমি জব্বারের স্ত্রী কবি  : সুজান মিঠি আমি জব্বারের স্ত্রী। এ ছাড়া আমার কোন নাম নেই। আমি ভাষা শহীদের স্ত্রী, এই আমার পরিচয়। বাহান্ন'র রক্ত দিয়ে অক্ষর কেনার দিন রচিত হয়েছিল আমার জীবনের নতুন অধ্যায়। তোমরা যাকে গৌরব বলো, অহংকার বলো, আর আমি যাকে কান্না বলে ডাকি! ভোর বেলা ঘুম ভেঙে উঠোন নিকিয়ে  আমার শাশুড়ি উনুনে কাঠ গুঁজে ফোটাতেন ভাত। সদ্য প্রসূতি আমার কোল থেকে আমার ছেলেকে নিয়ে তেল মাখাতেন, স্নান করাতেন। দুলে দুলে শোনাতেন ছড়া। আমার স্বামী ফিরে এসে বলতেন, এইতো আমার দেশ! আমার বাংলা! আমার মা! ওরা যে কেন উর্দুকে চায়! বলতেন, গাও না প্রিয়া! চাঁদের গান, ফুলের গান আলোর গান… আমার সে সব গান বাহান্ন'র জল হাওয়ায় সমস্ত ভেসে গেল… আমার স্বামীর শরীর থেকে বেরিয়ে এল গরম রক্ত… সারা দেশ বলল, এ উষ্ণতার নাম টবীরত্ব! এ রক্তের নাম ভালোবাসা। আমি বললাম, এ রক্ত আমার বুকে জন্ম দিল নতুন বিশ্বের,  যাকে আমি দুঃখ বলে ডাকি। আমাদের বাড়ির দাওয়ায় ইস্কুল হল। সকাল হতে না হতেই শিশুরা কলকল করে উঠল। আমার শাশুড়ি গেয়ে উঠলেন, "পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল।" নদী বয়ে গেল ভাটিয়ালি সুরে সুর...

কবিতা : অভিমানের সুদূর

Image
  কবিতা : অভিমানের সুদূর   কলমে: ডঃ রমলা মুখার্জী তুমি যেদিন বৃষ্টি হয়ে ঝরবে পাথর বুকে, সেদিন আমার কষ্ট-কাঁটায় ফুল ফুটবে সুখে। বিরহের অসহ ব্যথায় থাকবো এলোচুলে.. তুমি এলে বাঁধবো বেণী সব অভিমান ভুলে । ভালোবাসার আকাশ হয়ে ঘিরবে শাড়ির নীলে- মন-ময়ূরী নাচবে সুখে হৃদয়-মঞ্জিলে। নদীর বুকে জোয়ার হয়ে রক্তে আনবে বান.... আবার আমি নতুন সুরে বাঁধবো নতুন তান। এখন তোমার মনের মাঝে পাহাড় অভিমান..... ঝর্ণা হয়ে ঝরবে যখন নিশীথ আঁধার ম্লান। অভিমানের গহন ঠেলে আসবে প্রেমের বন্যা.... রূপ সাগরে ডুব সাঁতারে মুছবো দুজন কান্না। কান্না শেষে ভালোবেসে বাঁধবো দুজন ঘর- এসো মম প্রিয়তম আর কোরো না পর। দাও শান্তি, যা কিছু ভ্রান্তি করো ওগো মাপ- অভিমান জমে ক্রমে বাড়ছে মনস্তাপ। মনের খবর পেয়ে তুমি এলে অবশেষে - শেষ মাঘের হিমেল হাওয়ায় অভিমানেরা ভাসে। ভাসতে ভাসতে অভিমান যায় দূর সুদূর... তোমার গানে বইল প্রাণে বিগত প্রেমের সুর।

কবিতা : আহ্বান জানালাম

Image
  কবিতা : আহ্বান জানালাম   কবি :  মনোজ কুমার রথ    _____________________     একটা গোলাপ দিলাম,    প্রেম নয়-    বিদ্রোহের প্রতীক রূপে ধরো;    বুকের মাঝখানে ধরে রেখো     এমনই আরও অজস্র রক্ত গোলাপ l    ক্ষমতা দখলের লড়াই,     আকাশে বাতাসে ইস্তেহার ভাসে     ঝাঁঝালো গন্ধের মতো;     প্রতিশ্রুতির বন্যায় ভেসে যাচ্ছে                     একচিলতে চামড়া ওঠা উঠোন!    যেভাবে ভেসেছে বহু ব-হু-বা-র...l    কেউ কথা রাখেনি,    এ'রকম প্রতিশ্রুতিরা কেউ কথা রাখে না কখনও;    প্রতীক্ষার প্রহর গুনতে গুনতে     বয়স পে'রিয়ে যায় স্নাতকোত্তরের,    একাত্তরের বাবার থেমে যায় জীবন,    শুকিয়ে কাঠ গর্ভধারিণীর সাতষট্টি বছরের চোখ !     ওরা উঠে- নামে,   আসে যায়...   ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে যায় খাদের কিনারায়;   সিঁড়ির প্রায় শেষ ধাপের কাছে গিয়...

কবিতা:" ইতিহাসের পাতা থেকে "

Image
  কবিতা : "ইতিহাসের পাতা থেকে " কবি :   অরবিন্দ সরকার স্থান : বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ।                    পলাশির যুদ্ধে হার , মীরজাফরের অবিচার, মসনদের তরে কে - কার? খাল কেটে কুমির (ইংরেজ )নিয়ে এলো, হাতের পুতুল নবাব হ'লো, বেইমান শব্দটি অভিধানে জুড়লো মীরজাফর। সিরাজকে ধরিয়ে দেয় দানসা ফকির!  মীরজাফর পুত্র মীরনের নির্দেশে মহম্মদ- ই- বেগ হত্যা ক'রে ঘোড়ার পিঠে ঘোরায় শহর। মসনদের লালসায়,ভারত বিক্রি ইংরেজ খাতায়, উঠলো নবাবের নামাবলীর চাদর। সিরাজ রইলো খোসবাগে, দাদুর সমাধির পার্শ্বে শায়িত চিরনিদ্রায় ঘুম অকাতর। লুৎফুন্নেসা যত্ন ক'রে সমাদরে, তার প্রাণনাথের সমাধি পরে, শেষে শায়িত সিরাজের পদতলে , যেন স্বপ্নের আকর। মীরজাফর জাফরাগঞ্জের প্রাসাদে,কুষ্ঠরোগে মন বিষাদে, নিমকহারাম দেউড়িতে তার কবর। হারালো নবাবী মসনদ, ইতিহাসের পাতায়, সাহিত্যের খাতায় রইলো নাম তার শাপেবর! বিশ্বাস ঘাতক,বেইমান মানে মীরজাফর! পর্যটকদের মনে,বিষাদ আনে মীরজাফরের কবরে জুতো মেরে সফল করে সফর।

কবিতা : অ্যালেন কাকা

Image
  কবিতা —অ্যালেন কাকা কলমে —সুশান্ত পাড়ুই রচনা কাল —০৩/০২/২০২১ -----------------------//--------------------- হরেন কাকা চলেন বাঁকা চড়েন ভাঙা গাড়ি সকাল সাঁঝেই মাঝে মাঝেই  টেপেন নিজের নাড়ি । ওঠেন ভোরে হাঁকেন জোরে  খানিক বাদে বাদে  পান চিবিয়ে গান টি ধরেন  সটান গিয়ে ছাদে। করেন খেলা দুপুর বেলা  বিকেলে খান ফল  ভাত গুলে খান রাত হলে খুব  চিবিয়ে যে খান জল। সাজেন রাজা খোঁজেন রানি  রাঁধেন কাবাব কোর্মা  রেগে-মেগেই থেকে থেকেই  বউকে ডাকেন বৌমা। হাসেন কাঁদেন নাচেন তা থৈ   আঁটেন ফিকির-ফন্দি  ঘাস বেটে খান পাশ করা এক  তিনি তো রাজবদ্যি । হাঁচেন কাশেন নস্যি মাখেন  হাত-পা ছোঁড়েন টেনে  চা-পান খেতে জাপান যাবেন  শোবেন সিয়াচেনে। কল্কে টেনে চুলকে টিকি সাজেন মদনমোহন  তিলক কেটে পালক দিয়ে  লেখেন রামায়ণ। নাস্তা নাবুদ আস্তা ছাড়া  বাড়ির ছেলে বুড়ো  বলেন ওঝা সরসে পোড়ান  ছড়ান ধূপের গুড়ো । ঝটকা ভাঙে মটকা গরম  নরম কাদা মাখে  কে বলে কে বলুক দেখি  তার কাটা ম্যান তাকে? খানিক পরে প্...

কবিতা : আমার ভারতবর্ষ

Image
আলোর ঠিকানা বিভাগ -কবিতা শিরোনাম -আমার  ভারত বর্ষ কলম-রীতা বসু ***************************; আমি  ভারত বাসী, গর্বিত এক  ভারত বাসী,  একশো পঞ্চাশ কোটির  ওপর  আমরা  সবাই  একই দেশের  অধিবাসী।  উত্তরে হিমালয়  থেকে  দক্ষিণে কন্যাকুমারী, আমার  এই পবিত্র দেশ, আমি  দেশমাতৃকার  চরণ চুমি। বনজঙ্গল, পাহাড় -পর্বত,কত নদনদী  আর মরুভূমি,  এক জীবনে  দেখা  শেষ  হবেনা,এমনই  আমার  মাতৃভূমি।  আধ্যাত্মিকতার পীঠস্থান এই  দেশ,না আছে  সংশয়,  কত কবি, কত শিল্পী  বন্দনা গেয়ে  এদেশ করে ছে জয়। শএুপক্ষকে ভয় করিনা, দিতে পারি  সঠিক  জবাব,  নেই  সঙ্কোচ, নেই  লজ্জা, নেই  মোটেই  সাহসের  অভাব। এদেশ আমার, এদেশ তোমার,  এদেশকে  আমরা  ভালোবাসি, "জননী জন্ম ভূমিশচ স্বর্গাদপি গরীয়সী। "  

শিরোনাম : রেশমী সুতোর যাদু

Image
  পরিচয়: ভাল নাম যুথিকা তরফদার, পেশায় ডাক্তার নেশায় সাহিত্য সাধিকা, বিভিন্ন সাহিত্য বাসরে অংশগ্রহণ করেছেন, প্রকাশিত হয়েছে বহু লেখা। পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখা প্রকাশিত হয়, পেয়েছেন সাহিত্য চর্চার জন্য বহু সন্মান  কবিতা : রেশমী সুতোর যাদু কবি : জুঁই  রেশমী সূতোয় বাঁধলাম আজ সব ব্যথাকথা এক সন্মোহনী যাদুতে শব্দ কল্প দ্রুম সাজালো জ্যোৎস্না নগর মুগ্ধতার তোলপাড়ে এবার আছড়ে পড়ছে শশীকলা তখনি একটা কালবৈশাখি মেঘ ঘিরে ধরলো জ্যোৎস্না বলয় ভীষন প্রশ্রয়ে ঝলসে উঠল দামিনীর খেলাঘর দুরন্ত মুগ্ধতায় নেমে আসল দ্রিম দ্রিম গানের কলি চুমুর আদর খসে পড়ল অন্ধকার বলয় ভেদ করে, এক অজানা আমির জন্ম হলো উপন্যাসের চিত্রলেখায়। জুঁই হালিশহর ২৯/১/২১

শিরোনাম : এলো রে ভোট রঙ্গে

Image
  কবিতা —এলো রে ভোট রঙ্গে কলমে —সুশান্ত পাড়ুই রচনা কাল —০৩/০২/২০২১ ----------------------------//----------------------------- এলো রে ভোট রঙ্গে।  চটুল কথায় গোকুল মজে  স্পষ্ট কথায় কষ্ট খোঁজে  জ্বালা ধরায় অঙ্গে । এলো রে ভোট রঙ্গে ।। বেতাল দেখেই মাতাল সাজি  অসামাল তো হই না  মাস গেলে তো পাস-মানি পাই  মাসকাবারি মাইনা।  কাটমানি খাই বগল বাজাই  কাঠ তো তবু খাইনা। শানাই ছুরি বানাই পেটো  মন্ত্রী মশাই ছড়ান এঁটো  তাই তো থাকি সঙ্গে।  এলো রে ভোট রঙ্গে।। মাপ করি না পাপ করে যাই  দাদা আছে ভয় কিছু নাই  গরীব চাষার লুটি মরাই  নেতার ঘরে গোলা ভরাই  বুঝলে বিপদ সটকে পড়ি  রণে যে দিই ভঙ্গে।  এলো রে ভোট রঙ্গে।। দেয়াল লিখি মাইক ফুঁকি  মিছিল করি প্ল্যাকার্ড সাঁটি  ব্যস্ত খুবই ভোটের পুজো  তাইতো নেতার জুতো চাঁটি। ঋণখেলাপি বিদেশ ঘোরে  নকল সাধু সকল চোরে  ঘোরে তো একসঙ্গে।  এলো রে ভোট রঙ্গে।। বস্তি ঘরে দিই কত থ্রেড  ছড়াই টাকা ভরাই ব্রিগেড  চলছে খেলা বঙ্গে  কে যে কখন সেজে আসে ...

কবিতা শিরোনাম : পুস্তিকা

Image
    কবিতা : পুস্তিকা    কবি :  খাদিজা আহমেদ "সন্ধ্যেচূড়া" ------------------- নীলু বলছি.... অবিশ্বাস্য যাতনার পূর্ণ চন্দ্রিমার স্পন্দন হতে!      হ্যাঁ আমি নীলু বলছি।  জানিস.... তুই যে নীলুর না বলা গল্প কথার, বিন্দু বিন্দু জীবনালেখ্যের সখ্যতা?      দীর্ঘ রাতের রূপালী চাঁদের,       কুড়িয়ে তোলা দগ্ধ শ্বাসের,              প্রেম ঝরা স্নিগ্ধতা।  হ্যাঁ নীলু বলছি.... তুই যে তারি বিড়বিড় করা রম্যের, ডাহুকী ছোঁয়ার মোহমায়া। পরিপক্ব অনুভবের বিশ্বস্ত সায়েহ্নের        প্রাণচঞ্চল সজীবতা।  তারি নিষিদ্ধ নগরীর বিস্তৃত উপন্যাসের,                       নৈসর্গিক মননশীলতা। জানিস..... তুই যে তারি অস্তরাগের লজ্জাবনত প্রতিশ্রুতি। দীঘল কালো খসখসে কুন্তলের সুশোভিত উত্তাপ। সুখ স্নানের টপাটপ শিউলির,  শৈল্পিক আদি সুভাস। দূর্দান্ত মমতাবোধর পূর্ণ একতা। কম্পিত মেঘনার অবলুপ্ত প্রত্যয়। জানিস...... তুই যে হাজারো বাহা...