Posts

শিরোনাম : সাহিত্য সাধক ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত

Image
প্রবন্ধ : সাহিত্য সাধক ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত লেখনী : কবি রীতা বসু ( প্রাক্তন দর্শনের শিক্ষিকা  সাখাওয়াত মেমোরিয়াল সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় )    খাঁটি  বাঙালী  সংস্কৃতি র ধারক ও বাহক শ্রীঈশ্বরচন্দ্রগুপ্ত ইংরেজীর ১৮১২ সালের ১০ই মার্চ এবং বাংলার  ১২১৮  বঙ্গাব্দে র  ২৫শে ফাল্গুন  পশ্চিম বঙ্গের অন্তর্গত  কাঁচড়াপাড়া অঞ্চলেএক সম্ভ্রান্ত  বৈদ্য পরিবারে  জন্মগ্রহণ  করেছিলেন।তাঁর  পিতা হরিনারায়ণ গুপ্ত ছিলেন একজন আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ও প্রপিতামহ  নিধিরাম গুপ্ত  ছিলেন  বিখ্যাত  কবিরাজ। মা ছিলেন  শ্রীমতী দেবী।তাঁর  জীবনে  চরম দুঃখ  নেমে আসে তাঁর  দশ বছর  বয়সে  তাঁর  মায়ের  আকস্মিক  প্রয়ানে।পিতা  দ্বিতীয়বার  বিবাহ করলে তিনি  মামাবাড়ি  কলকাতার  জোড়াসাঁকো তে এসে থাকতে  লাগলেন। মাএ ১৫ বছর  বয়সে তিনি ও বিবাহ করে ন গৌরহরি মল্লিকের কন্যা দুর্গামণি দেবী ওরফে  রেবাকে।    সংস্কৃত  কলেজে র অধ্যাপক  প্রেমচন্দ্র  ত...

কবিতা : সেই স্মৃতি মনে পড়ে

Image
  " সেই স্মৃতি মনে পড়ে " """""""""""***"""""""""" মোঃ মোসলেম হাওলাদার  28-02-2021 ইতালি। বন্ধু আমার ছিল একজন সংসারের কর্ণধার, ভাই বোনদের দেখাশুনা দায়িত্ব ছিল তার। সংসারের বড় ছেলে  অনেক কষ্ট করে, ছোটদের লেখা পড়ার দায়িত্ব তাহার কাঁধে পরে। তাহার মনের আশা যতো গুমড়ে গুমড়ে মরে, আষ্ট আনার পুঁটি কিনে খায় ভাগ করে। ছেলে,ভাই উচ্চশিক্ষিত বিদেশি ডিগ্রি আনে, ভাইবোনেরা সবাই তাকে শ্রদ্ধার চোখে মানে। আমি ছিলাম তাহার বন্ধু সবই দেখছি ভাই, কলেজ জীবনে তার দোকানে মাঝেমধ্যে খাই। তার জীবন সার্থক হয়েছে সবাই এখন ভালো। সারা জীবন দোকানে গেল কমছে চোখের আলো। সারা দুনিয়ার ছোট ভাইকে অনুরুদ করে বলি, বড় ভাইকে সম্মান দিয়ে আমরা সবাই চলি। দুই বন্ধু মিলে টঙ্গে পায়েস রেঁধে খাই, সেই স্মৃতি পড়লে মনে দুঃখে মরে যাই।

কবিতার নাম : আমি তোমাকে দেখেছি

Image
কবিতার নাম-আমি তোমাকে দেখেছি  কবির নাম- আশীষ খীসা  তারিখ -২৮।০২।২০২১ আমি তোমাকে দেখেছি          শরৎকালের শুভ্র নীল আকাশে, মেঘ হয়ে ভেসে যাচ্ছো         দূর নীলিমায় বহু দূরে।  আমি তোমাকে দেখেছি          পার্বত্য অঞ্চলের কাচালং উপত্যকায়, সেগুন গাছের শুকনো পাতায়           মর্মর শব্দ ও ছন্দের সুরে। আমি তোমাকে দেখেছি           কাপ্তাই হ্রদের স্বচ্ছ জলে, অসংখ্য পদ্ম ও শাপলা ফুল           হয়ে আনন্দে দোদুল্যমান ভাসতে। আমি তোমাকে দেখেছি          তারা হয়ে চাঁদনী রাতে, নীরব কৃষ্ণচূড়া গাছের কাছে          চুপি চুপি কথা বলতে। আমি তোমাকে দেখেছি           দূর্গম নিস্তব্ধ গিরি পথে, দুরন্ত মায়াবতী হরিণের মতো          প্রবাহিত চঞ্চল ঝর্ণার সাজে। আমি তোমাকে দেখেছি           অস্তমিত সূর্যের ম্লান আলোতে,...

কবিতা : প্রসাদি ফুল

Image
 🌳🌳🍒 কবিতা —প্রসাদি ফুল  কলমে —সুশান্ত পাড়ুই   রচনা কাল —১৯/০২/২০২১  ----------------------------//------------------------------- সরস্বতী দুঃখ অতি আমার পাড়ায় এসো ঘৃণার থুতু মুছিয়ে দিয়ে সবায় ভালোবেসো। আঁধার ঘুচে এই জমিতেই ভরুক ফুলে ফলে হাতেখড়ি হোক্ মা সবার ধোঁয়া উড়ুক কলে। দুষ্ট এখন শিষ্ট সাধু মাথায় ফেলো বাজ সবার পেটে ভাত জুটুক আর সবার হাতে কাজ। মনের মধ্যে জ্বালাও প্রদীপ বাজাও তোমার বীণা  হাঁসের পালক দিয়ে সরাও এই বিদ্বেষ ঘৃনা। রাম-রহিমের মিটিয়ে বিবাদ গান গাও এক সুরে নিত্য গীতে ভরুক চিতে বাসন্তী রোদ্দুরে। হোক্ না লেখা নতুন করে নতুন ইতিহাস এই মাটিতেই সবাই মিলে করুক প্রেমের চাষ। সরস্বতী দুঃখ অতি আমার পাড়ায় এসো প্রসাদি ফুল বিলিয়ে দিয়ে মাটির সাথে মেশো। ---------------------------//-----------------------------                 🙏🏻সুশান্ত পাড়ুই 🙏🏻

কবিতা : পরাশ্রয়ী

Image
                কবিতা :   "পরাশ্রয়ী"                 কবি : -- অরবিন্দ সরকার                           বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ কবিতা, বনিতা,লতা  বিনাশ্রয়ম্ ন তিষ্ঠন্তি!  বনিতা শিশু কালে, মায়ের কোলে, যুবতী রূপে পতির সান্নিধ্যে,বৃদ্ধাবস্হায় পুত্রের। লতার আশ্রয় ডালপালা, তেমনি কবিতা তার আশ্রয়,কল্পনায়,স্বপ্নমিশ্রিত বাস্তবে! তষ্করের আশ্রয় গৃহস্থ, রাজার আশ্রয় প্রজা! শিষ্য বিনা গুরু, পরীক্ষা বিনা ছাত্র-,রোগী ছাড়া ডাক্তার, আসামী বিনা মোক্তার। লড়াই ছাড়া স্বাধীনতা, ভিক্ষা ছাড়া জীবিকা! সৃষ্টি বিনা ধ্বংস! জল ছাড়া জীবন, বাহু বিনা আলিঙ্গন। সুদ বিনা টাকা, শুন্য ছাড়া ফাঁকা। শুরু দিয়ে সমাপ্তি! বলি পেয়ে শহীদ, নালিসের সমাধা বিচার- অত্যাচার,অনাচারে ঘুস পতি পত্নী যুগ'ল, স্হান,কাল,পাত্র - ভূগোল! নাটক নট- নটী , খাদানের দানে দলনেতা। মুখ আছে তাই লাগাম, মন্ত্রীর প্রবেশ আছে! আছে প্রস্থান! অত্যাচারের সীমা থাকে-- কালের যবনিকাপাত।।

প্রবন্ধ : " প্রাগৈতিহাসিক ধর্ম "

Image
          প্রবন্ধ (গবেষণা) :  " প্রাগৈতিহাসিক ধর্ম"                        অর্ঘ মুখার্জি ( কোন্নগর )   প্রাগৈতিহাসিক ধর্ম বলতে প্রাগৈতিহাসিক মানব সমাজের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ধর্মাচরণকে বোঝায়। বিশেষত প্রাচীন প্রস্তরযুগীয় ধর্ম, মধ্য প্রস্তরযুগীয় ধর্ম, নব্য প্রস্তরযুগীয় ধর্ম ও ব্রোঞ্জ যুগীয় ধর্মকে প্রাগৈতিহাসিক ধর্ম বলা হয়।         •প্রাচীন প্রস্তর যুগের ধর্ম - পারলৌকিক ক্রিয়ার সামগ্রী সহ কবর দেওয়ার প্রথাই সম্ভবত প্রথম ধর্মব্যবস্থার নিদর্শন (কবর দেওয়ার প্রথা আজকের পৃথিবীতেও সর্বাধিক পরিচিত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া)। ফিলিপ লিবারম্যানের মতে, এটি “দৈনন্দিন জীবনে মৃতের পুনর্জাগরণ” ধারণার পরিচায়ক।      অনেক পুরাতাত্ত্বিকের মতে মধ্য প্রস্তরযুগীয় সমাজে এবং নিয়ান্ডারথাল সমাজে টোটেমবাদ ও পশুপূজার কিছু প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায়। এমিল বাচলার মধ্য প্রস্তরযুগীয় গুহাগুলির পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের ভিত্তিতে বিশেষভাবে ওই সময়কার নিয়ান্ডারথাল ভাল্লুক পূজা সংস্কৃতির অস্তিত্ব...

কবিতা : স্মার্ট-মা কে

Image
  কবিতা —স্মার্ট-মা কে   কলমে —সুশান্ত পাড়ুই  রচনা কাল —১৬/০২/২০২১  ------------------------//------------------------- ও বাগদেবী দুঃখ খুব-ই বলো কেমন ধাঁধা বাবা ও মা, মাস্টারমশাই  বলছে গরু গাধা। অংক টা তো দারুণ কড়া ইতিহাসের সাল বিজ্ঞান আর বাংলা ভূগোল ইংলিশ টাও কাল। সরস্বতী স্মার্ট মা অতি দাও না মাথায় পুরে মার বকুনি আর খাবো না  বেড়াই ঘুরে ঘুরে। পড়াশোনা আর সয় না বই-খাতা মুখ গোঁজা দাও মা করে সব সাবজেক্ট   জলের মতো সোজা। তার চে' বরং দাও স্মার্টফোন দারুণ তা'লে হয়  গোবর-গনেশ আর হব না হব মা স্মার্টবয়। ----------------------------//---------------------------                    🙏🏻সুশান্ত পাড়ুই 🙏🏻